রবিবার, মে ৯, ২০২১
Home Blog

কিস্তির চাপে মৃত রুবেলের পরিবারের পাশে সাদ্দাম, করে দিলেন ঈদের কেনাকাটা।

0

 

চঞ্চল খান গাজীপুর:
এতিম সন্তানদের নিয়ে স্বামী হারিয়ে জীবনের কঠিন সত্যের মুখোমুখি সেলিনা খাতুন, অবুঝ শিশুর মুখের দিকে তাকিয়ে অন্ধকার ভবিষ্যতের  দিন গুনছিলো পরিবারটি দুঃসময়ে হযোগীতার হাত বাড়িয়ে  পাশে  দাঁড়ালেন সাদ্দাম হোসেন অনন্ত।
গাজীপুরের শ্রীপুরে তেলিহাটি ইউনিয়নের ডোমবাড়িচালা গ্রামে এনজিওর কিস্তির টাকা পরিশোধের চাপে বিষপাণে  মৃত রুবেল মিয়ার তিন ছেলে-মেয়েকে ঈদের নতুন জামাকাপড় ও ঈদ সামগ্রী কিনে দিলেন পুস্পদাম কর্নার এর  ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেন (অনন্ত)।

বৃহস্পতিবার (৬ মে) দুপুরে সাদ্দাম হোসেন মৃত রুবেল মিয়ার তিন এতিম  ছেলে-মেয়েকে বাড়ি থেকে নিজের প্রাইভেটকারে মাওনা চৌরাস্তা নিয়ে আসেন। তাদেরকে পছন্দমত নতুন জামাকাপড়,জুতা কিনে দেন। রুবেলের তিন ছেলে-মেয়ে আরাফাত হোসেন, শাহাদাত হোসেন ও রুমেলা আক্তার তাদের পছন্দমত ঈদের নতুন জামাকাপড় এবং  ঈদ সামগ্রী কিনে নিজের গাড়িতে করে তাদের বাড়ি পৌঁছে দেন।

নিহত রুবেলের স্ত্রী সেলিনা আক্তার গণমাধ্যমকে জানান, রুবেল শারীরিকভাবে  কিছুটা প্রতিবন্ধী ছিলো। প্রতিবন্ধী স্বামীকে নিয়ে স্ত্রী সেলিনা সংসারের হাল ধরছিলেন। কৃষিকাজকে প্রাধান্য দিয়ে দারিদ্রতার সাথে যুদ্ধ করে জীবন চলছিল তাদের। বাড়ির আঙ্গিনায় পতিত জমি চাষে টাকার সংকট পড়ায় পিদিম ফাউন্ডেশন, জামিরদিয়া মাষ্টারবাড়ী শাখা থেকে ছয় মাস মেয়াদী  দ্বিতীয় পর্যায়ে  ২০ হাজার টাকা ঋণ নেন।  যা সুদে আসলে ২২০০০ টাকা পরিশোধ করতে হবে ,গত ১০ই মার্চ মেয়াদ শেষ হলে ঋণ পরিশোধ করতে না পারায় উৎকন্ঠায় ভূগছিলেন। গত বুধবার (২৮ এপ্রিল) পিদিম ফাউন্ডেশনের মাঠকর্মী নাঈম বাড়িতে এসে ঋণের টাকার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। পরে রুবেল শনিবার (১ মে) ঋণের টাকা পরিশোধে আশ্বাস দিলে মাঠকর্মী চলে যান।

সেলিনা আক্তার আরও বলেন, গত শনিবারও কোন টাকা জোগাড় করা সম্ভব হয়নি। মাঠকর্মী আসলে তাকে কয়েকঘন্টা পর আসতে বলেন রুবেল। এনিয়ে তার স্বামীর মধ্যে হতাশা তৈরী হয়েছিল। বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেও টাকা সংগ্রহ করতে না পারায় শনিবার দুপুরে সে ঘরে থাকা কীটনাশক পান করে। বাড়ির উঠানে গোঙানীর শব্দ পেয়ে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে সে মারা যায়।

ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেন (অনন্ত) গণমাধ্যমকে জানান, মৃত রুবেলের পরিবার চাইলে তার তিন ছেলে-মেয়ের লেখাপড়ার দায়িত্ব বহন করবো। টাকার অভাবে যাতে তাদের লেখাপড়া বন্ধ না হয় তার জন্য সব সময় সহযোগিতা করবো।
উল্লেখ্য, গত শনিবার (১ মে) বেলা ১২ টার সময়  ডোমবাড়ীচালা গ্রামের নিজ বাড়িতে বিষপাণে আত্মহত্যা করেন রুবেল। নিহত রুবেল ওই গ্রামের মোতালেব হোসেনের ছেলে।

 

শেখ হাসিনার উন্নয়নবার্তা মানুষের কাছে পৌছাতে কাজ করছেন- জিললুর রহমান আকন্দ

0

এসএম আরিফুল ইসলাম আরিফ, স্টাফ রিপোর্টারঃ

সরকারের উন্নয়নবার্তা মানুষের কাছে পৌছাতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ১২নং আমিরাবাড়ী ইউনিয়নের সাবেক তুখোর ছাত্রলীগ নেতা, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাধারণ সম্পাদক জাতীয় শ্রমিকলীগ আমিরাবাড়ী ইউনিয়ন শাখা, পথশিশু কল্যান ফাউন্ডেশন ত্রিশাল উপজেলা শাখার উপদেষ্টা ও ১২ নং আমিরাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী, জিললুর রহমান আকন্দ।

তিনি বলেন, মানুষ চায় জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন। ২০০৮ সালে আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ব, আমরা ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করব, আমরা তার আগেই সেটা করতে পেরেছি। আজ শিক্ষিতের হার ৭৩ শতাংশ যেখানে আমরা ক্ষমতায় আসার আগে শিক্ষিতের হার ছিল ৩৭ শতাংশ। আমরা যখন ক্ষমতা নেই তখন বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ৩২০০ মেগাওয়াট যেটা এখন প্রায় বিশ হাজার মেগাওয়াট, উৎপাদন হচ্ছে ১২০০০ মেগাওয়াট। একসময় আমাদের দেশে শত শত প্রসূতি মা চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুবরণ করতেন। আমরা মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে পেরেছি। আমাদের শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার অনেক কমে গেছে। আজকে যেসব ডাক্তাররা বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সরকারি চাকরিতে আসছে একসময় তারা হয়তো নামকাওয়াস্তে চাকরি করতেন, আজকে সরকারের বাধ্যবাধকতার কারণে গ্রামের মানুষকে চিকিৎসা দিচ্ছেন তারা।

গ্রামের অর্থনৈতিক কাঠামো সহ সার্বিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য যে অভূতপূর্ব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে এ বিষয়গুলো আমরা যদি মানুষের কাছে ঠিকমত পৌঁছাতে পারি তাহলে মানুষ আওয়ামী লীগকে আবারো ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে।

তিনি আরো বলেন, আমি যার হাতে গড়া রাজনৈতিক কর্মী, নৌকার মাঝি জননেতা উন্নয়নের রুপকার আলহাজ্ব রুহুল আমীন মাদানী মাননীয় এমপি মহোদয়কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি, তিনি আমাকে শিক্ষা দিয়েছেন যেখানে যাও মানুষকে সম্মান করবা, মানুষের পাশে থাকবা। সেটা আমি করেছি বলেই আমার মাঝে বিশ্বাস জন্মেছে, ত্রিশাল উপজেলার ১২নং আমিরাবাড়ী ইউনিয়নের মানুষের আমার প্রতি একটি পক্ষপাত আছে। সেই পক্ষপাতই আমাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে ইনশাল্লাহ, জয় বাংলা-জয় বঙ্গবন্ধু।

কিস্তির চাপে বাবার আত্মহত্যা, কবরের পাশে কাঁদছে তিন শিশু সন্তান!!

0

 

চঞ্চল খান  (শ্রীপুর গাজীপুর):

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা তেলিহাটি ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ডোমবাড়ীচালা গ্ৰামের রুবেল সরকার(৩৫) ।সে এনজিওর কিস্তি টাকা ব্যবস্থা  করতে না পারায় আত্মহত্যা করেছেন বলে তার স্ত্রীর অভিযোগ। রুবেল একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। সে কোন কাজ কর্ম করতে পারেনা। বাড়িতে স্বাভাবিকভাবে কৃষি কাজ করতেন।

রুবেল সরকার এর দুই  শিশু ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে, সাংসারিক বিভিন্ন অভাব-অনটনের জন্য প্রিদিম নামক একটি সমিতি হইতে ২০০০০/-টাকা ঋণ উত্তোলন করেন, শাখাটি অবস্থিত ভালুকা মাস্টার বাড়ীতে।

এবং কিস্তির টাকা পরিশোধ করার লক্ষ্যে সমিতির কর্মরত লোকজন চাপ সৃষ্টি করতে থাকে,অদ্য ০১মে ২০২১ইং তারিখ কিস্তি পরিশোধ করার কথা রুবেলের, কিস্তির টাকা সংগ্রহ  করতে পারে নাই। অতঃপর মনের দুঃখে কষ্টে ০১/মে ২০২১ইং শনিবার দুপুর অনুমান ১২:০০ ঘটিকায় সময় নিজ বসত বাড়ীর পূর্ব ভিটার ঘরে বিষ পান করিয়া পশ্চিম ভিটার ঘরে আসিয়া শুইয়া পড়ে।

রুবেল সরকারের স্ত্রী সেলিনা খাতুন বলেন,  শব্দ পাইয়া আমি ঘরের ভিতর গিয়ে দেখি  আমার স্বামীর অবস্থা খারাপ,  আমি দ ডাকচিৎকার শুরু করলে, আশপাশের লোকজন আসিয় আমার স্বামীকে দ্রুত অটোরিক্সা যোগে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওয়াশ করিয়া রোগীর অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক তাই তাকে এম্বুলেন্স যোগে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রেফার্ড করেন।

এম্বুলেন্স যোগে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়া যাওয়ার পথে ০১/০৫/২০২১ইং দুপুর  ০২:০০ টা সময় ভালুকা যাওয়ার পথে রুবেল সরকার মৃত্যুবরণ করেন। রুবেল সরকারের স্ত্রী এ সময় আরো বলেন, মৃত্যুবরণ করার পর আমার স্বামীকে বাড়িতে নিয়ে আসলে,পারিবারিক ভাবে  কবর দেয়া হয়েছে । বিষয়টি আইনগত যথা-যথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শ্রীপুর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি।

এ বিষয়ে তেলিহাটি ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার তারেক হাসান বাচ্চু দৈনিক আজকের আলোকিত সকালকে বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক বর্তমানে দেশের এই পরিস্থিতিতে কিস্তি আদায় করাটা মোটেও উচিৎ নয়। এমন গঠনা যেন আর কোথাও না গঠে এন জিও গুলো যেন মানুষকে এত চাপ সৃষ্টি না করেন সেই আহ্ব্বান রইলো।

এবিষয়ে শ্রীপুর মডেল থানা কর্মরত এস আই মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ দৈনিক গণমাধ্যমকে  বলেন, পরিবারের লোকজনের কথায় লাশ বিনা ময়না তদন্ত ছাড়া পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন, তিনি আরো বলেন অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রিক্সা উপহার দিলেন আকরাম, বেঁচে গেলো একটি পরিবার

0

 

চঞ্চল খান :
গত ১৪ এপ্রিল ১ম রমজান শুরুর   দিনে চোর রিক্সা নিয়ে গেলে মানিক মিয়া গগনবিদারী কান্নায়ভেঙে পড়েন, উপার্জনের একমাত্র  সম্বল রিক্সা হারিয়ে বিপাকে দিনমজুর মানিক।

মানিক মিয়ার এক ছেলে, দুই মেয়ের বাবা। সবাই লেখাপড়া করে। বাড়ি কিশোরগঞ্জ হলেও দীর্ঘদিন পরিবার নিয়ে বসবাস করেন গাজীপুর সিটির উত্তর ছায়াবীথি এলাকায়।
কিস্তিতে নেওয়া একটি রিক্সা ছিল তার উপার্জন ও বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন।

সবাই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছিল মানিক মিয়ার আহাজারি ,কেউ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে এগিয়ে আসেনি কিন্তু ঠিকই গাজীপুরের মানবিক মানুষ আকরাম হোসেন বাদশা অসহায়  মানিকের পাশে দাঁড়ান এবং ভরসা দেন আমি তোমার পাশে আছি তোমার হারিয়ে যাওয়া রিক্সা হয়তো ফিরিয়ে দিতে পারব না কিন্তু তোমাকে আরেকটি রিক্সার ব্যবস্থা করে দেবো।রিক্সা উপহার
আকরাম হোসেন বাদশা  তাৎক্ষণিক মানিককে ডেকে সব কিছু জেনে একটি নতুন  রিক্সা তৈরি করে দিতে   ৩০ হাজার টাকা দিয়ে নতুন রিক্সা তৈরি করার উদ্যোগ গ্রহন করেন।

এ বিষয়ে আকরাম হোসেন বাদশা বলেন, সারারাত নিজের মৎস খামারের কাজ শেষে দুপুরে বাসায় এসে সবেমাত্র বিছানায় ক্লান্ত শরীর টা এলিয়ে দিয়েছি ঘুমাতে। কিছুক্ষণ পরই ঘুম ভেঙে যায় আকস্মিক কান্নার শব্দে, আর আমিও তৎক্ষণাৎ তড়িৎ গতিতে বাইরে ছুটে আসি। জানতে পারি যে আমার বাসার কাজের মেয়ের বাবার(মোঃমানিক মিয়া)  অটোরিকশা চুরি হয়েছে।

খবরটি শোনার পর থেকে বিষণ্ন মনটাকে কোনোভাবেই শান্ত করতে পারছিলাম না। শেষমেশ সন্ধ্যায় ইফতারের পর মানিক মিয়ার সাথে যোগাযোগ করলাম ঘটনার আদ্যোপান্ত জানতে । ২ মেয়ে ও ১ ছেলে সহ মোট ৫ জনের পরিবারের একমাত্র আয়ের সম্বল ছিল চুরি হয়ে যাওয়া অটোরিকশাটি। উপরন্তু অটোরিকশাটি ক্রয় করেছিলো ৪২ হাজার টাকার ইনস্টলমেন্টে, যার অর্ধেক তখনো বকেয়া ছিলো। অর্থাৎ মরার উপর খারার ঘাঁ।

পুরো ঘটনা এবং মানিক মিয়ার আহাজারি শুনে আল্লাহর উপর ভরসা করে মুহূর্তেই তাকে একটি নতুন অটোরিকশা কিনে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। এবং নিয়ত অনুযায়ী আজ বিকেলে মানিক মিয়ার কাছে নতুন একটি অটোরিকশা উপহার দিয়ে তার হাস্যোজ্জ্বল চেহারা দেখে নিজের মনটাও শান্ত করলাম।

সেই রিক্সাটি তৈরি শেষে ২১ এপ্রিল বিকেলে   আকরাম হোসেন বাদশা মানিকের হাতে নতুন রিক্সাটি তুলে দেন ।

ধনুয়া সাতানি বাজারে খাজনা মওকুফ করে মাস্ক বিতরণ করলেন সাদ্দাম হোসেন অনন্ত

0

চঞ্চল খান:

পুষ্পদাম সাফারী কর্নারের  ম্যানেজিং ডিরেক্টর  সাদ্দাম হোসেন অনন্তের নেতৃত্বে গাজীপুর ইউনিয়নের ধনুয়া গ্ৰামে ধনুয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে সাতানি বাজারের ৫০০ দোকানীর  পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে ১মাসের খাজনা বা কর আদায় বন্ধ করে দিয়েছেন ।

১৭এপ্রিল (শনিবার)ঐতিহ্যবাহী সাতানি বাজারের সকল দোকানদারদের খাজনা রমজান মাসের  জন্য  মওকুফসহ করোনা  ভাইরাসের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ১হাজার মাস্ক বিতরন করেন বাজারে আসা ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মাঝে ।

খাজনা আদায় বন্ধ করে দেওয়াতে ৫০০ দোকানীর মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। সপ্তাহের ২দিন ঐতিহ্যবাহী সাতানি বাজার জমে উঠে ।প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার দিন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে খুচরা ও পাইকারী বিক্রেতারা টাটকা শাক-সবজি,ধান, বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ,মাংস সহ প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী বিক্রয় করেন।

ষাট থেকে নব্বই দশকের দিকে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ঐতিহ্যবাহী সাতানি বাজারে ক্রয় বিক্রয় করার জন্য আসলেও বর্তমান সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে বজার জমে উঠায় এ বাজারে লোকজন কম আসতে থাকে এতে বাজার জমে উঠে না।

বর্তমান সময়ে সাদ্দাম হোসেন অনন্ত সাতানি বাজারের ইজারা নিয়ে বাজার পূর্বের ন্যায় জমিয়ে তুলেছেন ।প্রতিজন মাছ বিক্রেতার নিকট হইতে ২২০ টাকা, কাঁচা শাক-সবজি বিক্রেতার নিকট হইতে ৫০ টাকা, (হাঁস, মুরগি ও কবুতর ) বিক্রেতার নিকট হইতে ১০ টাকা করে খাজনা আদায় করা হতো ।

প্রবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী সাতানি বাজারে খাজনা আদায় ১মাসের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে।এতে বাজারে বিক্রেতা ও ক্রেতার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে ।

কোরআন শিক্ষার্থী ২০০ শত এতিম নিয়ে ইফতার করলেন আকরাম হোসেন বাদশা

0

চঞ্চল খান, বার্তা সম্পাদক:

শ্রীপুরের দমদমা গ্রামে ২০০ শত  এতিম ছাত্রদের নিয়ে ইফতার করলেন আওয়ামী লীগ নেতা আকরাম হোসেন বাদশা ।
বৃহস্পতিবার ১৫ ই এপ্রিল দ্বিতীয় রোজার ইফতার নিজ গ্রামের এতিম শিশুদের জন্য আয়োজন করেন।দুই শতাধিক  কোরআন  শিক্ষা করা ছাত্রদের নিয়ে  নিজ হাতে খাবার বিতরণ করেন আকরাম হোসেন বাদশা ।
বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক আওয়ামী লীগ নেতা আকরাম হোসেন বাদশা বলেন, আলহামদুলিল্লাহ রহমতের মাসের প্রথম ইফতার কোরআনের পাখিদের সাথে গাজীপুর শ্রীপুরের নিজ গ্রাম দমদমা এতিমখানায় নিজ উদ্যোগ আয়োজন করি।
আরও বলেন, ছোটছোট শিশুদের সাথে  ইফতার করা কি-যে এক আত্মিক প্রশান্তি তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না।
তিনি আহবান জানান, একটাবার ওদের কাছে গিয়ে পাশে দাঁড়িয়েই দেখুন, ভোগে নয় ত্যাগেই প্রকৃত সুখ।
এতিমখানার শিশুরা তৃপ্তির সাথে ইফতার করতে পেরে খুবই খুশি।

উল্লেখ্য, আকরাম হোসেন বাদশা নিজ ফার্মের উপার্জনের অর্থ দিয়ে প্রতিনিয়ত অসহায় মানুষগুলোর পাশে থেকে  সহায়ক ভূমিকা পালন করে আসছেন।

শ্রীপুরে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেন শ্রীপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী সৈয়দ মাসুম আহাম্মেদ।

0

 

শরীফ হোসেন, শ্রীপুর প্রতিনিধি:

বুধবার (১৪-ই এপ্রিল) পহেলা রমজান সকাল থেকে,
গাজীপুর-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও গাজীপুর জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন সবুজ এমপি ‘র নির্দেশনায় ইফতার সামগ্রী বিতরণ।

গাজীপুরের শ্রীপুরে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে নিজ অর্থায়নে প্রায় ২শতাধিক পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেন শ্রীপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী সৈয়দ মাসুম আহাম্মেদ।

গাজীপুরের শ্রীপুরে গরীব, অসহায় ও দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের ঘরে ঘরে ইফতার সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন, শ্রীপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী সৈয়দ মাসুম আহাম্মেদ।

এ সময় শ্রীপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী সৈয়দ মাসুম আহাম্মেদ বলেন, মাহে রমজান উপলক্ষ্যে আমি প্রতি বছর গরীব দুঃস্থদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করে থাকি। এরই ধারাবাহিকতায় গরিব ও দুস্থদের মাঝে ইফতার সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। যারা ইফতার ও আহারের জন্য কষ্টে থাকেন তাদের জন্য আমার দরজা সব সময় খোলা আছে।

লকডাউনে শ্রীপুর উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা

0

বার্তা সম্পাদক:   শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও (নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট )তাসলিমা মোস্তারীর নেতৃত্বে মাওনা চৌরাস্তায় কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নের জন্য সরকারি নির্দেশ মোতাবেক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

কঠোর লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার সময় মাওনা চৌরাস্তায় বিভিন্ন শপিং মলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয় ।

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাসলিমা মোস্তারী  জানান,
সরকারি নির্দেশ অমান্য করে মাওনা চৌরাস্তায় হাজী মালেক মাস্টার কমপ্লেক্সে অবস্থিত রহিমা কসমেটিক্স এন্ড ক্রোকারীজ খোলা রাখায় ৫০০০ টাকা ,আটটি বিপণিবিতান কে এক হাজার টাকা করে এবং একটি দোকান থেকে ৫০০টাকা জরিমানাসহ ১৩৫০০ টাকা আর্থিক দণ্ডের মাধ্যমে  আদায় করা হয়।
তিনি জানান, মূলত এই অভিযান মানুষকে সচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্যই মানুষ যেন সরকারের নির্দেশিত  লকডাউনের বিধি নিষেধ মেনে সচেতন হয়ে চলাফেরা করে।
আরও জানান,উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, শ্রীপুর থানার উপ পরিদর্শক মনিরুজ্জামান, আনসার সদস্য, সাংবাদিকসহ প্রশাসনের অন্যান্য লোকজন।

প্রেম ও প্রকৃতির কবি সাইফুল আকন্দ’র জন্মদিন

0

সুদীপ্ত শামীমঃ

১০ই এপ্রিল তিস্তা বিধৌত গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বজরা কঞ্চিবাড়ি গ্রামে প্রেম ও প্রকৃতির কবি সাইফুল আকন্দ-এর জন্ম। পিতা খলিলুর রহমান ও মাতার নাম মোছাঃ আমেনা খাতুন। তিনি একাধারে একজন কবি, গল্পকার, ঔপন্যাসিক, প্রকাশক ও সাংবাদিক। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ৯ টি।

২০০২ সাল থেকে সাহিত্যের ছোট কাগজ ‘রেণু’ সম্পাদনা করেন নিয়মিত। ২০০৯ সালে সাহিত্যঙ্গনে পদার্পণ করেন ‘ভাঙ্গা তরী’ কাব্যগ্রন্থ দিয়ে। ২০১২ সালে বের করেন ছড়া ও কবিতাগ্রন্থ ‘ডালিম গাছে দোয়েল নাচে’। এরপর উত্তরবঙ্গের মানুষের জীবন কাহিনী নিয়ে লেখা উপন্যাস ‘মফিজ’ বের করেন ২০১৩ সালে। ২০১৪ সালে নবীন প্রবীন দশ জন কবির কবিতা নিয়ে সম্পাদনা করেন ‘কবিতা কানন’, এবং একই সালে তাঁর ২য় উপন্যাস ‘নীড় হারা পাখি’ প্রকাশিত হয়। তাঁর প্রকাশিত আরও কিছু বই- ‘ইতি তোমার কবি’ (কাব্যগ্রন্থ), ‘সমাজ দর্পণ’ (কাব্যগ্রন্থ), ‘এস এম এস কবিতা’ (কাব্যগ্রন্থ) ও নির্বাচিত কবিতার বই ‘সংগীতা’ পাঠক সমাজে বেশ সমাদৃত।

এছাড়াও জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দৈনিক, সাপ্তাহিক, পাক্ষিক ও মাসিক পত্রিকায় তাঁর অসংখ্য ছড়া, গল্প ও কবিতা প্রকাশিত হয় নিয়মিত।

মহামারী করনার কারণে জন্মদিনের কেক না কেটে গ্রামের বাড়িতে একান্তভাবে পরিবারের সাথেই দিনটি কাটাবেন তিনি।

মৃত্যুর মধ্য দিয়েই বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের ইতি টানলেন  শ্রীপুর উপজেলা আ’লীগের আহ্বায়ক বুলবুল

0

 

চঞ্চল খান গাজীপুর:
জীবনের শেষদিন পর্যন্ত রাজনৈতিক পদে থেকে  শারীরিক অসুস্থতার জন্য  পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেন গাজীপুর ইউনিয়নের কৃতি সন্তান মোস্তাফিজুর রহমান বুলবুল।
মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) রাত ১২টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান বুলবুল (৬০) ।(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বেশ কয়েক বছর ধরে কিডনি, হৃদরোগ, ডায়াবেটিসসহ শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। ১৫ দিন আগে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তির পর তার ফুসফুসে পানি জমে এবং ফুসফুস কার্যক্ষমতা হারায় বলে চিকিৎসকরা জানান। সেখানে আইসিইউ তে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল মারা যায় বুলবুল।

আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্র জানায়, ছাত্রলীগের হাত ধরেই তার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের শুরু হয়। তৎকালীন ভাওয়াল গড় জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সম্পাদক, পরবর্তীতে জগন্নাথ কলেজ ছাত্রলীগের নির্বাচিত ক্রীড়া সম্পাদক, ভাওয়াল কলেজে ছাত্রলীগ মনোনীত জিএস প্রার্থী ছিলেন। পরবর্তীতে গাজীপুর ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক, থানা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক নির্বাচিত হন।

বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে ১৯৯৭ সাল থেকে ২০২০ পর্যন্ত শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়াও তিনি শ্রীপুর বীর মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলী সরকারি কলেজ, পিয়ার আলী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, গাজীপুর ফাজিল মাদরাসাসহ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আজীবন দাতা সদস্য ও শৈলাট উচ্চ বিদ্যালয়ের গভর্নিং বডির সভাপতি ছিলেন।
সর্বশেষ গত বছরের অক্টোবরে তিনি শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক নির্বাচিত হন।

তার বাবা ছিলেন মুক্তিযোদ্ধের সংগঠক ও শ্রীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মরহুম কাজিমউদ্দিন আহমেদ। তার বাড়ি উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের শৈলাট গ্রামে।

মরহুমের মৃত্যুতে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। দুপুর ২টায় শ্রীপুর পৌর এলাকার মাওনা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও বিকেল ৫টায় তার নিজ গ্রামের শৈলাট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দ্বিতীয় দফা জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে ।

মরহুমের জানাজা নামাজে উপস্থিত ছিলেন  গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন সবুজ, কাজিম উদ্দিন ধনু এমপি ,জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট জামিল হাসান দূর্জয়, শ্রীপুর পৌরসভার মেয়র আনিছুর রহমান, শ্রীপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল প্রমুখ।